Thursday, May 17, 2018

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্মকর্তাদের উপর হামলার দায় বহিরাগতদের- দাবী খনি কর্তৃপক্ষের

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি
কর্মকর্তাদের উপর হামলার দায় বহিরাগতদের- দাবী খনি কর্তৃপক্ষের

এম এ আলম বাবলু

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির গত ৫দিনের শ্রমিক অসন্তোষ ও খনি কর্মকর্তাদের
উপর হামলা ঘটনা বহিরাগত ¯া^ র্থেন্বষী মহলের উস্কানিতে ঘটেছে বলে খনিকর্তৃপক্ষ দাবী করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খনির অফিসার্স ক্লাব “মনমেলা”য় অনুষ্ঠিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে
খনির নীতি নির্ধারক কর্মকর্তাবৃন্দ এ মতামত দেন।
কর্মকর্তারা বলেন, ১৩দফা দাবীতে গত ১৩মে হতে শুরু হওয়া আন্দোলনে অংশ গ্রহণকারী শ্ির মকদের
কেউই বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিঃ (বিসিএমসিএল) এর নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মচারী নন। তারা
সকলেই খনির কয়লা উৎপাদন, পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান
সিএমসি-এক্সএমসি কনসোর্টিয়ামের নিয়োগপ্রাপ্ত শ্রমিক। তাদের দেয়া চাকুরীর বেতন ভাতা, অন্যান্য
সুযোগ সুবিধা ও চাকুরী শর্ত মেনে নিয়েই তারা খনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। তাই শ্রমিকদের সাথে
খনি কর্মকর্তাদের দ্বন্দ বিরোধ সৃষ্টির কারণ নেই। তাদের যত দাবী সঙ্গত কারণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের
কাছেই হওয়া স্বাভাবিক। তবে খনি শ্রমিকরা এ দেশেরই নাগরিক হওয়ায় তারা যাতে যথোপযুক্ত সুযোগ
সুবিধা পান আমরা তাই চাই। খনির শুরু থেকে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে আসছি। কিš ‘ স্থানীয়
কতিপয় সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি নতুন নতুন সুযোগ সুবিধা আদায় করে দেয়ার মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে
শ্রমিকদের বিক্ষব্ধ করে তলু ছে। এরই ফলশ্র“তিতে খনি শ্রমিকদের ১৩দফার সাথে কথিত ক্ষতিগ্র¯ ’
গ্রামবাসীদের ৬দফা যুক্ত করে চলা আন্দোলনের ৩য় দিন গত ১৫মে খনি শ্রমিক ও তাদের উস্কানী দাতা
বহিরাগতরা কর্মবিরতি ও অবরোধ কর্মসূচির নামে খনি কমর্ক র্তাদের উপর চড়াও হয়। এতে পুলিশসহ
উভয় পক্ষের অন্তত ২০জন আহত হন। এ সত্য বিষয়টি তুলে ধরার জন্য খনি কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের
প্রতি আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা
পরিচলাক মোঃ হাবিব উদ্দীন আহম্মদ। এতে উপস্থিত ছিলেন, খনির মহা-ব্যব¯া’ পক (পরিকল্পনা ও
অন্বেষণ) এবিএম কামরুজ্জামান, মহা-ব্যবস্থাপক ও সচিব (প্রশাসন) আবুল কাশেম প্রধানিয়া, মহাব
্যবস্থাপক ( ভূ-গর্ভ খনিজ ও অপারেশন) এটিএম নুরুজ্জামান চৌধুরী ও , মহা-ব্যবস্থাপক (খনিজ
)সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। হামলার ঘটনার পর থেকে খনির কয়লা উৎপাদন বন্ধ
রয়েছে। তবে খনির কোল ইয়ার্ডে এখনো প্রায় ২লাখ ৪০ হাজার মে. কয়লা মজুদ থাকায় খনি পাশ্ববর্তী
কয়লা ভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পনড়ব বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিটে কয়লা
সরবরাহে সংকটের কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, মনমেলা’য় খনি কর্মকর্তাদের যখন সংবাদ সম্মেলন চলছিল তখন বাইরে খনি গেটের সামনে
শ্রমিক ও ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী বিভিনড়ব দাবীতে মুহুর্মুহু শে- াগান দিচ্ছিলো।

শেয়ার করুন

0 facebook: