Wednesday, April 4, 2018

লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জরজরিত!


লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জরজরিত!


মাসুদ রেজা শিশির 

১০২ নং লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৮৮ সালে এলাকার স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিবর্গের প্রচেষ্ঠায় স্থাপিত হয়। লক্ষীপুর গ্রামে মাঠের মধ্যে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে আজও বিদ্যালয়টি আধুনিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার শেষ প্রান্তে কসবামাজাইল ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের এই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের নেই তেমন কোন রাস্তা, বিদ্যালয়টি মাঠের মধ্যে হওয়ায় বৃষ্টির দিনে শিক্ষার্থীদের যেতে হয় অনেক কষ্ট করে। গতকাল বুধবার  সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় বেহাল দশা,২০০১ সালে শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৭ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা ব্যায়ে নির্মিত ৪ কক্ষ বিশিষ্ঠ ভবনের বেহাল দশা,ভবনের ছাদ দিয়ে বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে শিক্ষার্থীদের বই খাতা ভিজে যায়।  ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন আমি পলিথিন ক্রয় করে লাইব্রেরীর উপর দিয়ে কোনমত খাতাপত্র ভেজা থেকে বাচিয়ে রাখার চেষ্ঠা করি এরপরও ভিজে যায় আমাদের করার কিছু নেই। স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানান বিদ্যালয়ে যাওয়া আশার পথ নেই ,নেই ভাল ভবন এ জন্য আমাদের অনেকেই তাদের  সন্তানদের পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছে। বর্তমান সরকারের আমলে এরুপ বিদ্যালয় বিড়ল বলে মনে করেন ওই এলাকার একাধীক বাসিন্দা। এদিকে ওই বিদ্যালয়ের জরাযির্ন্যর কারনে শিক্ষার্থী সংখ্যাও কম বলে জানাগেছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে বিদ্যালয়টির ভবন সংস্কার করে পাঠদানের উপযোগীকরার জন্য জোর দাবী জানান একই সঙ্গে লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি নতুন ভবন ও বিদ্যালয়ে যাওয়া আশার জন্য রাস্তা নির্মানে জোর দাবী জানিয়েছেন। কসবামাজাইল ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান পিল্টু জোয়ার্দ্দার বলেন ইতি মধ্যে লক্ষীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য রাজবাড়ী জেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি সেখানে রাস্তা ীও নতুন ভবন নির্মানের ঘোষনা দিয়েছেন আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কষ্ঠ লাঘব হবে।  এ ব্যপারে  উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বছির উদ্দিন বিদ্যালয়ের দন্যদশার কথা স্বীকার করে বলেন ইতি মধ্যেই আমরা অগ্রাধীকার ভিত্তিত্বে অতিরিক্ত ৩ কক্ষ বিশিষ্ঠ একটি ভবনের প্রস্তাব প্রেরণ করেছি আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।



শেয়ার করুন

0 facebook: