Monday, April 22, 2019

ষড়যন্ত্রকারী ও চক্রান্তকারী উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলামকে হটাতে মানববন্ধন



মাসুদ রেজা শিশির 

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে উপজেলা আ.লীগের ব্যানারে সর্বস্তরের জনগণ। যাত্রী ছাউনি ভাঙচুর ও পুন:নির্মাণের দাবীতে এবং কাজী সাইফুল ইসলামের হাত থেকে বাঁচতে শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলার চাঁদপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কালুখালী উপজেলা আ.লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ মিজানুর রহমান মজনু, কালুখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জুলফিকার আলী, মদাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম,কালুখালী উপজেলা আ.লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ইউসুফ হোসেন মেম্বার, মদাপুর ইউনিয়ন আ.লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলীমুজ্জামান মনেক, মদাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা বিশ^াস (জবেদ) প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এ,বি,এম রোকন উদ্দিনসহ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে উপজেলা আ.লীগকে ধ্বংস করতে চায়। তিনি ২১শে ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে আ.লীগ নেতা মিজানুর রহমান মজনু সহ নেতাকর্মীদের ফাসানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কাজী সাইফুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদ গ্রহণের পর থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে আজ পর্যন্ত কোন মিটিং করেননি। বিভিন্ন সময় দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি করে আসছে।
কালুখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ¯্রােত পত্রিকার সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ জুলফিার আলী মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, কাজী সাইফুল ইসলাম নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কালুখালী প্রেসক্লাবকে দ্বিখন্ডিত করার চেষ্টা করেছে। একজন জনপ্রতিনিধির এমন কার্যক্রম সাংবাদিক সমাজ তীব্র নিন্দা জানায়।
মিজানুর রহমান মজনু তার বক্তব্যে বলেন, কাজী সাইফুল ইসলাম নিজের ফায়দা লুটে নিতে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমাকে হত্যা করার হুমকি প্রদান করছে। তিনি আরো বলেন, কাজী সাইফুল ইসলাম আপনি কি ছিলেন তা কালুখালীবাসী জানে। আপনার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ছিল।  তা কিসের মামলা তা আমরা জানি। সময় হলে তা কালুখালীবাসীর কাছে তুলে ধরা হবে। আপনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন। উপজেলা আ.লীগের সভাপতি হলেও আপনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কোথাও কোন সভা-সমাবেশ করেননি। আপনার অবস্থান এখন পরিষ্কার। তাই কালুখালীবাসী আজ আওয়াজ তুলেছে ‘হটাও কাজী সাইফুল ইসলাম, বাঁচাও কালুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ’। আগামী উপজেলা নির্বাচনে কাজী সাইফুল ইসলাম ব্যতীত যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষেই কাজ করব। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে প্রায় ২ সহ¯্রাধিক নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে সকল শ্রেণীপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা ষড়যন্ত্রকারী ও চক্রান্তকারী কাজী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করে।



শেয়ার করুন

0 facebook: